রোহিঙ্গা বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট: প্রধানমন্ত্রী
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ন

রোহিঙ্গা বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট: প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট: প্রধানমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত।

রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাপান সরকারের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত ও নিপ্পন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইয়োহেই সাসাকাওয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসেন ইয়োহেই সাসাকাওয়া।

প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাহাদাৎ স্বাধীন এসব তথ্য জানান।

বৈঠকে জাপান সরকারের বিশেষ দূত বলেন, প্রায় ৫০ বছর ধরে তিনি বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্য নিরসনে কাজ করছেন। মিয়ানমারে বিষয়ে জাপান সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে তার ভূমিকার কথাও তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানান।

রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে উল্লেখ করে জাপানের বিশেষ দূত বলেন, এ পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি অবগত। রোহিঙ্গাদের সহায়তায় জাপান সরকারের বিভিন্ন অনুদান ও মানবিক সহযোগিতার কথাও তুলে ধরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাসাকাওয়াকে বাংলাদেশ সফরের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং তার দীর্ঘদিনের মানবিক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট। এ সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকার জন্য জাপান সরকারকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ এমনিতেই একটি জনবহুল দেশ। দীর্ঘসময় ধরে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে দেশের অর্থনীতি, অবকাঠামো ও সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে নিজের অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার জন্য জাপানের বিশেষ দূতের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রত্যাবাসনের পর মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসনের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত।

এ সময় বিশেষ দূত বলেন, রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে তার সঙ্গে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের আলোচনা হয়েছে। মিয়ানমার সরকার এই সংকটের সমাধানে আন্তরিক বলে তিনি মনে করেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, রাখাইন প্রদেশের বর্তমান জটিল পরিস্থিতির কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন অগ্রগতিতে সময় লাগছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সব ধরনের সহযোগিতা করতে আগ্রহী। কারণ, নিজ দেশে ফিরে গেলে রোহিঙ্গাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বিশেষ দূত প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করে বলেন, তার অবস্থান থেকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তিনি সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে শুধু দ্বিপক্ষীয় প্রচেষ্টার ওপর নির্ভর না করে বহুপক্ষীয় উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূতকে বাংলাদেশে একটি ভ্যাকসিন উৎপাদনকেন্দ্র তৈরিতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। বিশেষ দূত বিষয়টি নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করবেন বলে জানান।

এছাড়া বাংলাদেশ জাপানের বিনিয়োগ পেতে আগ্রহী এবং দেশে একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ দূতকে জানান। একই সঙ্গে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও উন্নত করার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের আগ্রহের কথা তিনি তুলে ধরেন।

এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শাকিরুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।




বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষায় বিশেষ জোর দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি

বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষায় বিশেষ জোর দিতে হবে : রাষ্ট্রপতি
ছবি সংগৃহীত।

দেশ ও বিদেশের কর্মসংস্থান উপযোগী প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও কারিগরি শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এ প্রসঙ্গে রাষ্ট্রপতি বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে, দেশের শিক্ষার্থীদের এগিয়ে যেতে হবে। তিনি আরো বলেন, বেকারত্ব সৃষ্টি হয় ও কর্ম উপযোগী নয় এমন শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে আমাদের ক্রমান্বয়ে বেরিয়ে আসতে হবে।

সাক্ষাৎকালে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য (চ্যান্সেলর) হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি ও ট্রেজারার উপস্থিত ছিলেন।




জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ইস্যুতে আইএমএফের কোনো শর্ত নেই

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ইস্যুতে আইএমএফের কোনো শর্ত নেই
ছবি সংগৃহীত।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ইস্যুতে আইএমএফের কোনো শর্ত নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি ও সমসাময়িক বিষয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, এখানে আইএমএফের এমন কোনো শর্ত নেই।

তিনি বলেন, আইএমএফের বেসিক নিয়ম যেটা আছে, তারা চায় না একটা সরকার খুব বেশি ভর্তুকি দিক। তবে জ্বালানি, গ্যাস ও বিদ্যুতে বিপুল ভর্তুকি কমানোর প্রয়োজনীয়তা সরকার অর্থনৈতিক বাস্তবতা থেকেই বিবেচনা করছে বলে জানান তিনি।

আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমার ইস্যুতে তিনি বলেন, দু-তিন দিনে কিছু টাকা সামান্য দু-তিন পার্সেন্ট কমেছে। এখনও ১০০ ডলারের বেশি ক্রুড অয়েলের দাম। কিছুটা কমেছে। কিন্তু এটা আসলে সাসটেইন করার সম্ভাবনা নেই।

আন্তর্জাতিক বাজারের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট, হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ হওয়ার ঝুঁকি, সৌদি আরবের তেল রপ্তানিতে বাধা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে তেল স্থাপনায় হামলার মতো বিষয়গুলো ভবিষ্যতে জ্বালানি বাজারকে আরও অস্থিতিশীল করতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।

জ্বালানির দাম বাড়ানোর কারণে জনগণের কষ্টের কথাও স্বীকার করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।

জাহেদ উর রহমান বলেন, জনগণের কষ্ট হচ্ছে, কষ্ট হবে। আমরা আগেও যখন অয়েল নিয়ে কথা বলছি, এটা কোথায় হচ্ছে না?

তিনি বলেন, সরকারকে একইসঙ্গে জ্বালানিতে ভর্তুকি, সামাজিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় ব্যয় করতে হচ্ছে। সব খাতে একসঙ্গে বিপুল অর্থ ব্যয় করা সম্ভব নয়। এ কারণে সরকারকে বিভিন্ন খাতের মধ্যে ভারসাম্য করতে হচ্ছে।

গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির চাপের কথা তুলে ধরে জাহেদ উর রহমান বলেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে এ খাতে প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকির পরিকল্পনা থাকলেও আড়াই মাসেই এর প্রায় অর্ধেক দেওয়া হয়েছে। আপনি যদি এই গতিতে ভর্তুকি গ্যাস-বিদ্যুৎ দেন, তাহলে বছর শেষে এটা সোয়া ১ লাখ কোটি টাকা থেকে দেড় লাখ কোটি টাকা দাঁড়াবে।

জ্বালানিতে ভর্তুকির চাপের মধ্যেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান জানান, সর্বশেষ ২০১৫ সালে বেতন স্কেল কার্যকর হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ সময় বেতন স্কেল সংশোধন হয়নি।




বাসভাড়া বাড়ল কিলোমিটারে ১৭ পয়সা, আজই হচ্ছে প্রজ্ঞাপন

বাসভাড়া বাড়ল কিলোমিটারে ১৭ পয়সা, আজই হচ্ছে প্রজ্ঞাপন
ছবি সংগৃহীত।

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর দেশের ডিজেলচালিত সাধারণ বাসের ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দূরপাল্লা ও মহানগরসহ শহরের বাসে কিলোমিটারপ্রতি ১৭ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে কিছুক্ষণের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করবে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা যায়, সাধারণত জ্বালানি তেলের দাম এক টাকা বাড়লে বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি বৃদ্ধি পায় এক পয়সা। এবার ডিজেলের মূল্য লিটারে ২০ টাকা বেড়েছে। বিআরটিএ কিলোমিটার প্রতি ভাড়া ২০ পয়সা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় তা কমিয়ে ১৭ পয়সা করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে।

নতুন ভাড়ার হার কেবল ডিজেলচালিত সাধারণ বাসের জন্য কার্যকর হবে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাসের ভাড়া সরকার নির্ধারণ করে না। একইভাবে ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত যানবাহনের ভাড়াও সরকারি নির্ধারিত নয়। ফলে এসব যানবাহন ও এসি বাসের ক্ষেত্রে নতুন এই ভাড়ার হার প্রযোজ্য হবে না বলে বিআরটিএ সূত্রে জানা গেছে।

নতুন ভাড়া নির্ধারণের সময় ৫২ আসনের বড় বাস ও ৩০ আসনের মিনিবাসের হিসাব ধরা হয়েছে। তবে দূরপাল্লার অনেক পরিবহনে যাত্রীদের আরাম নিশ্চিত করতে ৫২ আসনের বাসের আসন সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হয়। ফলে আসনসংখ্যা কমানো বাসের ক্ষেত্রে ভাড়ার পরিমাণও তুলনামূলক বেশি হতে পারে।

বিআরটিএ সূত্র আরও জানায়, দূরপাল্লা ও শহরের বিভিন্ন রুটে দূরত্ব অনুযায়ী নতুন ভাড়ার পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে। তবে তালিকা প্রস্তুত করে প্রকাশ করতে আরও এক থেকে দুই দিন সময় লাগতে পারে।

গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ডিজেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। এর আগে চলতি বছরের এপ্রিলে ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তখন বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ১১ পয়সা বাড়ানো হয়।

বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাসের কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ২ টাকা ৫৩ পয়সা। নতুন ১৭ পয়সা বাড়ার পর তা দাঁড়াবে ২ টাকা ৭০ পয়সায়। মিনিবাসের বর্তমান ভাড়া ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে বেড়ে হবে ২ টাকা ৫৯ পয়সা।

অন্যদিকে দূরপাল্লার ৫২ আসনের বাসে বর্তমানে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সা। নতুন হার কার্যকর হলে তা বেড়ে দাঁড়াবে ২ টাকা ৪০ পয়সা।